ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, তীব্র গন্ধে হাসপাতালে ভর্তি ৪৫

ময়মনসিংহ নগরীতে একটি পুরোনো সিলিন্ডার বিস্ফোরণে গ্যাস আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে তীব্র গন্ধে ৪৫ জন অসুস্থ হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২৯ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরের গোলপুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি প্রতিষ্ঠানে পুরোনো গ্যাস সিলিন্ডার কাটার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাসের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমিভাব অনুভব করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জবায়দুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্যাসের তীব্র গন্ধে অসুস্থ হয়ে রাত ১টা পর্যন্ত ৪৫ জন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। তাদের মধ্যে ২৯ জনকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর অসুস্থ একজনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। পরে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও একজন এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, তার অবস্থা গুরুতর। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে আসা অধিকাংশ রোগীর শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমিভাবের মতো উপসর্গ ছিল, যা গ্যাসের তীব্র গন্ধের কারণে সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. জানে আলম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি পুরোনো গ্যাস সিলিন্ডার কাটার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং এরপর সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্যাস লিকেজের ফলে আশপাশের এলাকায় দ্রুত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। তীব্র গন্ধে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, তীব্র গন্ধে হাসপাতালে ভর্তি ৪৫

আপডেট সময় ০২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহ নগরীতে একটি পুরোনো সিলিন্ডার বিস্ফোরণে গ্যাস আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে তীব্র গন্ধে ৪৫ জন অসুস্থ হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২৯ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরের গোলপুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি প্রতিষ্ঠানে পুরোনো গ্যাস সিলিন্ডার কাটার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাসের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমিভাব অনুভব করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জবায়দুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্যাসের তীব্র গন্ধে অসুস্থ হয়ে রাত ১টা পর্যন্ত ৪৫ জন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। তাদের মধ্যে ২৯ জনকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর অসুস্থ একজনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। পরে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও একজন এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকদের মতে, তার অবস্থা গুরুতর। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, হাসপাতালে আসা অধিকাংশ রোগীর শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমিভাবের মতো উপসর্গ ছিল, যা গ্যাসের তীব্র গন্ধের কারণে সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. জানে আলম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি পুরোনো গ্যাস সিলিন্ডার কাটার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং এরপর সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্যাস লিকেজের ফলে আশপাশের এলাকায় দ্রুত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। তীব্র গন্ধে স্থানীয় অনেক বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কোনো অগ্নিকাণ্ড ঘটেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।