ঢাকা
,
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এনসিপি বলতে কিছু নেই, যা আছে তা জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধীরগতিতে টানা ভোগান্তি
সরকারে যুক্ত হচ্ছেন শরিকরা
পরিহার করতে হবে পুরোনো ধারার রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে রেকর্ড ৫১ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার
অনলাইন জুয়ায় ডুবছে দেশ
সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে ৫১ হাজার অভিবাসী আটক
জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি-অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রেমিকাকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগ, অস্বীকার ইনফান্তিনোর
সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা
-
স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : - আপডেট সময় ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
- ৮ বার পড়া হয়েছে
বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে সংবিধানে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরল বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটের পক্ষে ছিলেন- ড. শরীফ ভূঁইয়া। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন- অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে তিনটি আপিল হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তি একটি এবং নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন পৃথক আপিল করেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার একটি আপিল করেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী এনেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন সংসদে পাস হয়।
সংশোধনীতে সংবিধানে ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছিল। অবৈধ ক্ষমতা দখল করলে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান, জাতির পিতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বীকৃতির পাশাপাশি সংবিধানে জাতীয় চার মূলনীতি-জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা হয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরো আইন ও আইনের কয়েকটি ধারার বৈধতা নিয়ে ২০২৪ সালে হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট হয়।
চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং গণভোট বাদ দেওয়া-সংক্রান্ত সেই সংবিধান আইনের ২০ ও ২১ ধারা বাতিল ঘোষণা করা হয়। ওই দুটিসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ, ৪৪(২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিলও ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা পৃথক আপিলের ওপর গত সোমবার শুনানি শুরু হয়। এর পর গত মঙ্গলবার ও বুধবার শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ























