ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ১৩৩টি পাঠ্যবইয়ের পরিমার্জনসহ দুই শ্রেণিতে চার নতুন বই যুক্ত হচ্ছে।
ইতিহাস, বাংলা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়সহ বিভিন্ন বইয়ে নতুন বিষয় সংযোজন ও পুরোনো অংশ পুনর্বিন্যাসের কাজ চলছে।শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চারটি বই। আইসিটি বইয়ে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন অধ্যায় সংযোজন হচ্ছে। নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা একটি প্রবন্ধ সংযোজন হচ্ছে।
পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ‘আমাদের স্মরণীয় নেতা’ অধ্যায়ে বর্তমান চার নেতার পাশাপাশি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদান যুক্ত হচ্ছে বলে সমকাল এক প্রতিবেদনে জানায়।এনসিটিবি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক স্তরের ৩৬টি পাঠ্যবই পরিমার্জনের কাজ শেষ পর্যায়ে। মাধ্যমিকের মোট পাঠ্যবই ৯৯টি। এর মধ্যে ৯৭টি পরিমার্জন করা হয়েছে।
প্রাথমিকের পাঠ্যবই ১৬০ জন বিষয় বিশেষজ্ঞ এবং মাধ্যমিকের বইয়ের ক্ষেত্রে ২৫০ জন পরিমার্জন কাজে যুক্ত ছিলেন।সূত্র জানায়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ৩০ কোটি ৮৩ লাখের বেশি পাঠ্যবই মুদ্রণ করা হবে। এরমধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য আট কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি এবং মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কারিগরি স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ২১ কোটি ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৩৩২ কপি বই ছাপানো হবে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে বই ছাপার কাজ শুরু হয়ে নভেম্বরের মাঝামাঝি শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৩৩টির পরিমার্জন ও ইনডিজাইন সম্পন্ন হয়েছে।
চারটি বই নতুন সংযোজন হওয়ায় সেগুলোর বিষয়বস্তু ও কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।’
তিনি বলেন, ‘চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক, সম্পাদক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ বই প্রস্তুতের কাজে যুক্ত রয়েছেন। প্রতিটি বই একাধিক ধাপে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা নির্ভুল, মানসম্মত ও সময়োপযোগী বই হাতে পাক। সময়মতো শিক্ষার্থীদের কাছে বই পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই

আপডেট সময় ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ১৩৩টি পাঠ্যবইয়ের পরিমার্জনসহ দুই শ্রেণিতে চার নতুন বই যুক্ত হচ্ছে।
ইতিহাস, বাংলা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়সহ বিভিন্ন বইয়ে নতুন বিষয় সংযোজন ও পুরোনো অংশ পুনর্বিন্যাসের কাজ চলছে।শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চারটি বই। আইসিটি বইয়ে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন অধ্যায় সংযোজন হচ্ছে। নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা একটি প্রবন্ধ সংযোজন হচ্ছে।
পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ‘আমাদের স্মরণীয় নেতা’ অধ্যায়ে বর্তমান চার নেতার পাশাপাশি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবন ও অবদান যুক্ত হচ্ছে বলে সমকাল এক প্রতিবেদনে জানায়।এনসিটিবি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক স্তরের ৩৬টি পাঠ্যবই পরিমার্জনের কাজ শেষ পর্যায়ে। মাধ্যমিকের মোট পাঠ্যবই ৯৯টি। এর মধ্যে ৯৭টি পরিমার্জন করা হয়েছে।
প্রাথমিকের পাঠ্যবই ১৬০ জন বিষয় বিশেষজ্ঞ এবং মাধ্যমিকের বইয়ের ক্ষেত্রে ২৫০ জন পরিমার্জন কাজে যুক্ত ছিলেন।সূত্র জানায়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ৩০ কোটি ৮৩ লাখের বেশি পাঠ্যবই মুদ্রণ করা হবে। এরমধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য আট কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি এবং মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কারিগরি স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ২১ কোটি ২৭ লাখ ২৮ হাজার ৩৩২ কপি বই ছাপানো হবে। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে বই ছাপার কাজ শুরু হয়ে নভেম্বরের মাঝামাঝি শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৩৩টির পরিমার্জন ও ইনডিজাইন সম্পন্ন হয়েছে।
চারটি বই নতুন সংযোজন হওয়ায় সেগুলোর বিষয়বস্তু ও কাঠামো চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।’
তিনি বলেন, ‘চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক, সম্পাদক ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ বই প্রস্তুতের কাজে যুক্ত রয়েছেন। প্রতিটি বই একাধিক ধাপে পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা নির্ভুল, মানসম্মত ও সময়োপযোগী বই হাতে পাক। সময়মতো শিক্ষার্থীদের কাছে বই পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।