ঢাকা
,
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এনসিপি বলতে কিছু নেই, যা আছে তা জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধীরগতিতে টানা ভোগান্তি
সরকারে যুক্ত হচ্ছেন শরিকরা
পরিহার করতে হবে পুরোনো ধারার রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে রেকর্ড ৫১ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার
অনলাইন জুয়ায় ডুবছে দেশ
সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে ৫১ হাজার অভিবাসী আটক
জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি-অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রেমিকাকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগ, অস্বীকার ইনফান্তিনোর
৯৬ মামলা: গ্রেপ্তার, জামিন, ফের গ্রেপ্তার সাহেদ
-
স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : - আপডেট সময় ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
- ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলাকালীন পরীক্ষার প্রতিবেদন দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে দেশজুড়ে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম আবারও গ্রেপ্তার হয়েছেন। একের পর এক মামলায় গ্রেপ্তার, দীর্ঘ কারাবাস, জামিনে মুক্তি এবং শেষ পর্যন্ত ফের গ্রেপ্তার হওয়ায় আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালের ৬ জুলাই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নমুনা পরীক্ষা না করেই করোনা নেগেটিভ ও পজিটিভ সনদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। পাশাপাশি রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের তথ্যও উঠে আসে।
এর পরদিন ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটির হাসপাতাল ও প্রধান কার্যালয় সিলগালা করা হয়। একই দিন সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়।
এরপর ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর প্রতারণা, জালিয়াতি, অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন।
২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তবে সব মামলায় জামিন পাওয়ায় কারামুক্ত হন তিনি।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ























