ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধেয়ে আসছে টাইফুন নউল, ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিল চীন

উপকূলের দিকে আগোচ্ছে টাইফুন নউল। এ কারণে চীনের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রেল চলাচলও স্থগিত করা হয়েছে।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্যমতে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার (২৬ জুলাই) সকালের মধ্যে এটি হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকায় প্রচণ্ড শক্তিতে আঘাত হানতে পারে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবহাওয়া বিভাগ এরই মধ্যে তাদের চার স্তর বিশিষ্ট সতর্কতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘কমলা সতর্কতা’ বহাল রেখেছে।

ঝড়ের আগাম প্রভাব হিসেবে গুয়াংডং ও পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুষলধারে বৃষ্টি এবং তীব্র ঝোড়ো বাতাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সাগরে থাকা সব মাছ ধরার ট্রলারকে দ্রুততম সময়ে নিকটস্থ বন্দরে ফিরে আসার নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

টাইফুন নউলের কারণে ট্রেন চলাচলেও ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিডিউল। গুয়াংডং প্রদেশের সার্বিক ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে এবং বেশ কিছু এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও অনিয়ন্ত্রিত কার্বন নিঃসরণের কারণে বিশ্বে এমন চরম আবহাওয়ার ঘন ঘন পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তবে চীন এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০৬০ সালের মধ্যে নিজেদের কার্বন-নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ধেয়ে আসছে টাইফুন নউল, ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিল চীন

আপডেট সময় ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

উপকূলের দিকে আগোচ্ছে টাইফুন নউল। এ কারণে চীনের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রেল চলাচলও স্থগিত করা হয়েছে।

দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্যমতে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে রবিবার (২৬ জুলাই) সকালের মধ্যে এটি হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকায় প্রচণ্ড শক্তিতে আঘাত হানতে পারে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবহাওয়া বিভাগ এরই মধ্যে তাদের চার স্তর বিশিষ্ট সতর্কতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘কমলা সতর্কতা’ বহাল রেখেছে।

ঝড়ের আগাম প্রভাব হিসেবে গুয়াংডং ও পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মুষলধারে বৃষ্টি এবং তীব্র ঝোড়ো বাতাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সাগরে থাকা সব মাছ ধরার ট্রলারকে দ্রুততম সময়ে নিকটস্থ বন্দরে ফিরে আসার নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

টাইফুন নউলের কারণে ট্রেন চলাচলেও ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিডিউল। গুয়াংডং প্রদেশের সার্বিক ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে এবং বেশ কিছু এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও অনিয়ন্ত্রিত কার্বন নিঃসরণের কারণে বিশ্বে এমন চরম আবহাওয়ার ঘন ঘন পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তবে চীন এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২০৬০ সালের মধ্যে নিজেদের কার্বন-নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।