ঢাকা
,
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এনসিপি বলতে কিছু নেই, যা আছে তা জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধীরগতিতে টানা ভোগান্তি
সরকারে যুক্ত হচ্ছেন শরিকরা
পরিহার করতে হবে পুরোনো ধারার রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে রেকর্ড ৫১ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার
অনলাইন জুয়ায় ডুবছে দেশ
সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে ৫১ হাজার অভিবাসী আটক
জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি-অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রেমিকাকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগ, অস্বীকার ইনফান্তিনোর
টেকনাফে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকাডুবির ঘটনায় উদ্ধার ১৮, নিখোঁজ ১৩
-
স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : - আপডেট সময় ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
- ৯ বার পড়া হয়েছে
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় টেকনাফে একটি রোহিঙ্গাবাহী নৌকা ডুবে গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জেলেরা ১৮ জন রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। নৌকাটিতে থাকা চালকসহ আরও ১৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নৌকার উদ্ধার হওয়া যাত্রীরা।
আজ শুক্রবার সকালে শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিমপাড়া নৌকাঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধার হওয়া ১৮ জনকে পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান সংঘর্ষের কারণে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় শাহপরীর দ্বীপ উপকূলে নৌকাটি ডুবে যায়। পরে স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেন।
শাহপরীর দ্বীপ পশ্চিমপাড়ার জেলে মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘সকালে ৩১ আরোহী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়। আমরা ১৮ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। তবে আরও ১৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো নারী বা শিশু নেই।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা পূর্বে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবির থেকে মিয়ানমারে গিয়েছিল। তারা আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছিল।’
টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় একটি রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বর্তমানে বিজিবির হেফাজতে রয়েছে। কী কারণে তারা বাংলাদেশে এসেছে, তা যাচাই করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১২ লাখ। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার মুখে কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ






















