ঢাকা
,
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এনসিপি বলতে কিছু নেই, যা আছে তা জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধীরগতিতে টানা ভোগান্তি
সরকারে যুক্ত হচ্ছেন শরিকরা
পরিহার করতে হবে পুরোনো ধারার রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে রেকর্ড ৫১ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার
অনলাইন জুয়ায় ডুবছে দেশ
সিলেটে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা
যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে ৫১ হাজার অভিবাসী আটক
জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি-অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রেমিকাকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগ, অস্বীকার ইনফান্তিনোর
রেফারিকে মেসির কড়া বার্তা: আমার সঙ্গে সম্মান রেখে কথা বলুন
-
স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : - আপডেট সময় ১২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
- ৭ বার পড়া হয়েছে
আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল লিওনেল মেসি ও রেফারির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। প্রথমার্ধে এক ফ্রি-কিকের সময় পর্তুগালের রেফারি জোয়াও পেদ্রো পিনেইরোর আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে সরাসরি তার প্রতিবাদ জানান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মেসি স্পষ্ট করে দেন, তিনি অসম্মানজনক ভঙ্গিতে কথা বলা মেনে নেবেন না এবং রেফারির কাছে সম্মানজনক আচরণ দাবি করেন।
ঘটনাটি ঘটে সুইজারল্যান্ডের একটি ফ্রি-কিক নেওয়ার ঠিক আগে। আর্জেন্টিনার রক্ষণপ্রাচীরের অংশ ছিলেন মেসি। সেই সময় নির্ধারিত দূরত্বে সরে যেতে তাকে নির্দেশ দেন রেফারি। তবে রেফারির কথা বলার ধরন ও অঙ্গভঙ্গি মেসিকে বিরক্ত করে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি রেফারিকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন।’
ফ্রি-কিক নেওয়ার পরও উত্তেজনা থামেনি। টেলিভিশনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে, মেসি আবার রেফারির কাছে গিয়ে বলেন, ‘আমার সঙ্গে সম্মান রেখে কথা বলুন। অসম্মান করবেন না। আমি আপনার সঙ্গে সম্মান দেখিয়েই কথা বলেছি, আপনিও আমার সঙ্গে সেভাবেই কথা বলুন।’
যদিও কথাগুলো দৃঢ়ভাবে বলেন মেসি, পুরো সময়ই তিনি শান্ত ছিলেন। দুই হাত পেছনে রেখে সংযত ভঙ্গিতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।
এই ঘটনায় কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এমন উত্তপ্ত মুহূর্ত ম্যাচের অন্যতম আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়।
পর্তুগালের ভিলা নোভা দি ফামালিকাও শহরে জন্ম নেওয়া ৩৮ বছর বয়সী জোয়াও পেদ্রো পিনেইরো ইউরোপের উদীয়মান রেফারিদের একজন হিসেবে পরিচিত।
২০১৫ সালে তিনি পর্তুগালের শীর্ষ লিগে রেফারিং শুরু করেন। এক বছর পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতা, ইউরোপের দ্বিতীয় সারির ক্লাব প্রতিযোগিতা এবং ২০২৫ সালের ইউরোপীয় মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণী ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন।
এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত রেফারিদের তালিকায় স্থান করে নেন তিনি।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ























