১৭০ মিলিয়ন ডলার নির্মাণ ব্যয়ের এই ছবিটি বিশাল লোকসানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যা নতুন করে শুরু হওয়া ডিসি ইউনিভার্সের জন্য একটি বড় ধাক্কা।
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের ভাগ দেওয়ার পর এই ধরনের বড় সিনেমার খরচ তুলতে অন্তত ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার আয় করতে হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আজীবন আয় ২০০ থেকে ২১০ মিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। আর এমনটি হলে ওয়ার্নার ব্রাদার্সকে প্রায় ৮০ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার (১ হাজার কোটি টাকার বেশি) লোকসান গুনতে হবে।
এ ছাড়া গ্রীষ্মকালীন সিনেমার মৌসুমে তীব্র প্রতিযোগিতা এবং দর্শকদের নেতিবাচক ধারণার কারণে সিনেমাটি বক্স অফিসে টিকতে পারছে না। সাধারণত বড় তারকাদের (যেমন জোকার ছবির হোয়াকিন ফিনিক্স) লভ্যাংশের বড় অংশ দিতে হয়। কিন্তু ‘সুপারগার্ল’ চরিত্রে অভিনয় করা নবাগতা মিলি অ্যালকককে মাত্র ৪ লাখ ডলার পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল এবং তার কোনো ব্যাকএন্ড চুক্তিও ছিল না। ফলে তারকাদের পেছনে বাড়তি খরচ না হলেও ছবির মূল লোকসান এড়ানো যাচ্ছে না।
এর আগে ‘দ্য ব্রাইড!’ ৯০ মিলিয়ন ডলার বাজেটের বিপরীতে বিশ্বব্যাপী মাত্র ২৩ মিলিয়ন ডলার আয় করে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। গত গ্রীষ্মে মুক্তি পাওয়া জেমস গানের ‘সুপারম্যান’ বিশ্বব্যাপী ৬১৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে দারুণ সফল হয়েছিল। সেই সাফল্যের ওপর ভর করে ডিসি ১০ বছরের মহাপরিকল্পনা সাজালেও ‘সুপারগার্ল’-এর এই ব্যর্থতা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ভবিষ্যৎকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিল। তবে ডিসি স্টুডিওসের প্রধান পিটার স্যাফ্রান জানিয়েছেন, এটি তাদের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলের অংশ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : 





















