ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়লার স্তূপ থেকে তোলা নবজাতককে কোলে নিয়ে ইউএনও বললেন ‘আমি নিজেও মা’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ময়লার স্তূপ থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার দিনগত রাত ১টার দিকে ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, হাসপাতালের এক আয়া শিশুর কান্নার শব্দ শুনে কর্তব্যরত নার্সদের জানান। পরে নার্সরা গিয়ে ময়লার স্তূপের পাশ থেকে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নুসরাত ফারজানা খান জানান, উদ্ধারের পরপরই শিশুটিকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও একজন মা। খবরটি শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি।’ তিনি জানান, শিশুটির সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে ফুটফুটে এই শিশুকে এভাবে ফেলে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয়রা জানান, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত শিশুটির অভিভাবকের কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ময়লার স্তূপ থেকে তোলা নবজাতককে কোলে নিয়ে ইউএনও বললেন ‘আমি নিজেও মা’

আপডেট সময় ০৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ময়লার স্তূপ থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার দিনগত রাত ১টার দিকে ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, হাসপাতালের এক আয়া শিশুর কান্নার শব্দ শুনে কর্তব্যরত নার্সদের জানান। পরে নার্সরা গিয়ে ময়লার স্তূপের পাশ থেকে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নুসরাত ফারজানা খান জানান, উদ্ধারের পরপরই শিশুটিকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়া নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও একজন মা। খবরটি শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি।’ তিনি জানান, শিশুটির সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে ফুটফুটে এই শিশুকে এভাবে ফেলে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয়রা জানান, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত শিশুটির অভিভাবকের কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি।