দুই. সম্পদকে জমিয়ে না রেখে তা ন্যায়পূর্ণ বণ্টনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। তিন. অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিনিয়োগ সম্প্রসারিত করা। চার. বেকারত্ব ও দারিদ্র্য হ্রাস করা। পাঁচ. আয় ও সম্পদের বণ্টন সুনিশ্চিত করা।
যথা—ক. ওশর ও খ. খারাজ। এই দুুটিই ভূমি রাজস্ব আদায়ের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ওশর সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! তোমরা যা উপার্জন করো এবং যা আমরা তোমাদের জন্য জমিতে উৎপন্ন করি, সেখান থেকে উত্কৃষ্ট বস্তু ব্যয় করো। আর সেখান থেকে নিকৃষ্ট বস্তু ব্যয় করার সংকল্প কোরো না, যা তোমরা নিজেরা গ্রহণ করো না চোখ বন্ধ করা ছাড়া। জেনে রেখো, আল্লাহ অভাবমুক্ত ও চির প্রশংসিত।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৬৭)

স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : 





















