ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

নিয়োগপত্রের দাবিতে প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের শাহবাগে অবস্থান

নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন নিয়োগবঞ্চিত চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক প্রার্থীরা। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার পর মিছিল নিয়ে তারা শাহবাগ থানার সামনের সড়কে অবস্থান নেন।
এর আগে সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন তারা।আন্দোলনকারীরা  চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে এ দাবিতে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি।
এতে তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে, ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে প্রায় ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি করেছে ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’। বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এসব দাবি জানান।
এর আগে ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা বাদে অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
একই সঙ্গে জেলা অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা-লুটপাটের পর শাহ আলী থানার ওসি প্রত্যাহার

নিয়োগপত্রের দাবিতে প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের শাহবাগে অবস্থান

আপডেট সময় ১৬ মিনিট আগে
নিয়োগপত্রের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন নিয়োগবঞ্চিত চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক প্রার্থীরা। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার পর মিছিল নিয়ে তারা শাহবাগ থানার সামনের সড়কে অবস্থান নেন।
এর আগে সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন তারা।আন্দোলনকারীরা  চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে এ দাবিতে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি।
এতে তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম জানিয়েছে, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে, ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে প্রায় ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি করেছে ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’। বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এসব দাবি জানান।
এর আগে ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য তিন জেলা বাদে অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
একই সঙ্গে জেলা অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।