ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিডনি রোগীরা রাতে দুধ খেতে পারবে?

রাতে দুধ খাওয়া অনেকের জন্য উপকারী হলেও কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা অবস্থায় দুধ খাওয়া বিপজ্জনক বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। রাতে দুধ খেলে হজম হয়না অনেকের।
দেখে নিন যাদের জন্য রাতে দুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে-
 ১. ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট : এই ব্যক্তিদের শরীরে ল্যাকটোজ নামক দুধের চিনি হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম (ল্যাকটেজ) কম বা অনুপস্থিত থাকে। ফলে তারা দুধ খেলে হতে পারে- গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া ও পেটব্যথা। ২. অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা : রাতে দুধ খেলে কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিক বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ভারী বা পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ খাওয়া সমস্যাজনক হতে পারে।
৩. নিদ্রাহীনতা : চিনি বা মিষ্টি দুধ রাতে খেলে কার্বোহাইড্রেট বেড়ে যায়, যা রক্তে ইনসুলিন বাড়ায় এবং এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।৪. দুধে অ্যালার্জি রয়েছে যাদের : দুধের প্রোটিন (বিশেষ করে কেসিন ও ওয়েহ) যাদের শরীর সহ্য করতে পারে না, তাদের ক্ষেত্রে দুধ খাওয়া মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে- চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট, অ্যানাফাইল্যাক্সিস (জরুরি অবস্থা)। ৫. কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা : দুধে উচ্চমাত্রার ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে—যা কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ৬. ডায়রিয়া বা পাচনতন্ত্রের দুর্বলতার সময় : এই সময় দুধ খেলে পাচনতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে, এবং ডায়রিয়ার লক্ষণ বাড়তে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

কিডনি রোগীরা রাতে দুধ খেতে পারবে?

আপডেট সময় ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
রাতে দুধ খাওয়া অনেকের জন্য উপকারী হলেও কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা অবস্থায় দুধ খাওয়া বিপজ্জনক বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। রাতে দুধ খেলে হজম হয়না অনেকের।
দেখে নিন যাদের জন্য রাতে দুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে-
 ১. ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট : এই ব্যক্তিদের শরীরে ল্যাকটোজ নামক দুধের চিনি হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম (ল্যাকটেজ) কম বা অনুপস্থিত থাকে। ফলে তারা দুধ খেলে হতে পারে- গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া ও পেটব্যথা। ২. অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা : রাতে দুধ খেলে কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিক বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ভারী বা পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ খাওয়া সমস্যাজনক হতে পারে।
৩. নিদ্রাহীনতা : চিনি বা মিষ্টি দুধ রাতে খেলে কার্বোহাইড্রেট বেড়ে যায়, যা রক্তে ইনসুলিন বাড়ায় এবং এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।৪. দুধে অ্যালার্জি রয়েছে যাদের : দুধের প্রোটিন (বিশেষ করে কেসিন ও ওয়েহ) যাদের শরীর সহ্য করতে পারে না, তাদের ক্ষেত্রে দুধ খাওয়া মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে- চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট, অ্যানাফাইল্যাক্সিস (জরুরি অবস্থা)। ৫. কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা : দুধে উচ্চমাত্রার ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে—যা কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ৬. ডায়রিয়া বা পাচনতন্ত্রের দুর্বলতার সময় : এই সময় দুধ খেলে পাচনতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে, এবং ডায়রিয়ার লক্ষণ বাড়তে পারে।