এসব জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ।
দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। যেখানে ৬ লাখ ৬২ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কক্সবাজারে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন, রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৮২০, খাগড়াছড়িতে ৩৪ হাজার ৪১৭ এবং বান্দরবানে ৮ হাজার ৩৫০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। চট্টগ্রামে ৬৭০টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ৪৭টি, খাগড়াছড়িতে ১৫০টি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। আশ্রয় নেওয়া মানুষের মধ্যে চট্টগ্রামে ২২ হাজার ৬০০ জন, কক্সবাজারে ২ হাজার ৯৭৪ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ হাজার ৮২০ জন, খাগড়াছড়িতে ২ হাজার ৯১৬ জন এবং বান্দরবানে ৪ হাজার ৭৪৫ জন রয়েছেন।
বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চট্টগ্রামে ৯ হাজার ৪৩ দশমিক ৫ হেক্টর আউশ ধান, ৯৬০ দশমিক ৬৬ হেক্টর আমন, ৫ হাজার ৯০৭ হেক্টরের বেশি গ্রীষ্মকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারে ২ হাজার ৬২০ হেক্টর আউশ ধান, ৪৭০ হেক্টর আমন বীজতলা, ৯৫৫ হেক্টর সবজি এবং ১৫৬ হেক্টর পান বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাঙামাটিতে ৭১৭ হেক্টর আউশ ধান, আমন বীজতলা ১৫৮ হেক্টর, গ্রীষ্মকালীন সবজি ৯৮৭ ও আদা ৭৪৩ হেক্টর সবজি, হলুদ ৬৪৮ হেক্টর জমি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানেও আউশ ধান, আমন বীজতলা এবং সবজি চাষে বড় ধরনের ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।

স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : 





















