ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবে ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত

বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে ৫৩০ জন রোহিঙ্গার সলিল সমাধি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এক যৌথ বিবৃতিতে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সাগরে নিখোঁজ হওয়া যাত্রীদের মধ্যে আর কেউ জীবিত আছেন এমন কোনো আশা দেখছেন না উদ্ধারকারীরা। সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাসের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উপকূল থেকে নৌকা দুটি তাদের যাত্রা শুরু করেছিল। একটি নৌকায় ২৫০ জন এবং অন্যটিতে ২৬০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্গম এই সমুদ্রযাত্রায় অংশ নেওয়াদের মধ্যে মিয়ানমারে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ শরণার্থী শিবির থেকে পালিয়ে যাওয়া বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষও ছিলেন। দীর্ঘ দুই সপ্তাহ সাগরে ভাসার পর গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাওয়াদি উপকূলে এসে নৌকা দুটি একে একে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মুখে প্রথমে ২৫০ জন যাত্রীবাহী ছোট নৌকাটি ডুবে যায়। এর কিছু সময় পর দ্বিতীয় নৌকাটিও সাগরের বুকে তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনার আগে নৌকা দুটি মূল ভূখণ্ডের সাথে পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।
উদ্ধারকারী দল ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ধারণা করছে, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল নৌকা দুটি। কারণ বঙ্গোপসাগরের ওই রুটটি সাধারণত এই দেশগুলোর দিকেই চলে গেছে। তবে মিয়ানমার উপকূলের এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর দুটি নৌকার কোনো যাত্রীই আর জীবিত ফিরে আসতে পারেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমার উপকূলে ২ নৌকাডুবে ৫৩০ রোহিঙ্গা নিহত

আপডেট সময় ০৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
বঙ্গোপসাগরের মিয়ানমার উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে ৫৩০ জন রোহিঙ্গার সলিল সমাধি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এক যৌথ বিবৃতিতে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সাগরে নিখোঁজ হওয়া যাত্রীদের মধ্যে আর কেউ জীবিত আছেন এমন কোনো আশা দেখছেন না উদ্ধারকারীরা। সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাসের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উপকূল থেকে নৌকা দুটি তাদের যাত্রা শুরু করেছিল। একটি নৌকায় ২৫০ জন এবং অন্যটিতে ২৬০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্গম এই সমুদ্রযাত্রায় অংশ নেওয়াদের মধ্যে মিয়ানমারে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ শরণার্থী শিবির থেকে পালিয়ে যাওয়া বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষও ছিলেন। দীর্ঘ দুই সপ্তাহ সাগরে ভাসার পর গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাওয়াদি উপকূলে এসে নৌকা দুটি একে একে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মুখে প্রথমে ২৫০ জন যাত্রীবাহী ছোট নৌকাটি ডুবে যায়। এর কিছু সময় পর দ্বিতীয় নৌকাটিও সাগরের বুকে তলিয়ে যায়। দুর্ঘটনার আগে নৌকা দুটি মূল ভূখণ্ডের সাথে পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।
উদ্ধারকারী দল ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ধারণা করছে, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল নৌকা দুটি। কারণ বঙ্গোপসাগরের ওই রুটটি সাধারণত এই দেশগুলোর দিকেই চলে গেছে। তবে মিয়ানমার উপকূলের এই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর দুটি নৌকার কোনো যাত্রীই আর জীবিত ফিরে আসতে পারেননি।