ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ থেকে ‘কৃষক কার্ড’র তথ্য সংগ্রহ শুরু

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই)। শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সব উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলা থেকে একটি করে ব্লক নির্বাচন করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যা পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সব ব্লকে সম্প্রসারণ করা হবে। সম্প্রতি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, একই দিন কৃষি মন্ত্রণালয়ে কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড কারিগরি ওয়ার্কিং কমিটির দ্বিতীয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের প্রতিটি উপজেলায় একযোগে কৃষক ও জমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আদেশে আরও বলা হয়, প্রথম ধাপে প্রতিটি উপজেলার একটি করে নির্বাচিত ব্লকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উপজেলার অন্যান্য সব ব্লকেও পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ১৪ থেকে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে ১৮ জুলাই থেকে মাঠপর্যায়ে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। অফিস আদেশে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সকল পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক, উপপরিচালক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ ও নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, কৃষকদের একটি নির্ভুল ও সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার তৈরি হলে সরকারের প্রতিশ্রুত ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের পথ আরও সহজ হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ, কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা এবং অন্যান্য সরকারি সেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

আজ থেকে ‘কৃষক কার্ড’র তথ্য সংগ্রহ শুরু

আপডেট সময় ০১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই)। শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সব উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলা থেকে একটি করে ব্লক নির্বাচন করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যা পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সব ব্লকে সম্প্রসারণ করা হবে। সম্প্রতি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, একই দিন কৃষি মন্ত্রণালয়ে কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড কারিগরি ওয়ার্কিং কমিটির দ্বিতীয় সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের প্রতিটি উপজেলায় একযোগে কৃষক ও জমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আদেশে আরও বলা হয়, প্রথম ধাপে প্রতিটি উপজেলার একটি করে নির্বাচিত ব্লকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উপজেলার অন্যান্য সব ব্লকেও পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ১৪ থেকে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে ১৮ জুলাই থেকে মাঠপর্যায়ে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। অফিস আদেশে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সকল পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক, উপপরিচালক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ ও নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, কৃষকদের একটি নির্ভুল ও সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার তৈরি হলে সরকারের প্রতিশ্রুত ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের পথ আরও সহজ হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ, কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা এবং অন্যান্য সরকারি সেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।