ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৪ আম

নওগাঁর পোরশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নোচনাহার আম বাজারে জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের আম কেনাবেচা। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার বিপুল সমাগমের মধ্যে মিষ্টি ও সুস্বাদু জাত হিসেবে পরিচিত ‘বারি-৪’ আম মানভেদে প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৫-৬ হাজার টাকা দরে। শেষ সময়ে জোগান কম এবং দেশজুড়ে ব্যাপক চাহিদা থাকায় এই দাম পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে নোচনাহার আম বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিন ভোর থেকেই স্থানীয় আমচাষি ও বাগান মালিকরা ট্রলি ও ভ্যানে করে বাজারে বারি-৪ আম নিয়ে আসছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান ও আড়ত থেকে এসব আম সংগ্রহ করছেন। স্থানীয় চাষিরা জানান, মৌসুমের শেষ দিকে বারি-৪ আমের চাহিদা ও বাজারমূল্য অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশ চড়া। প্রতি মণ আম ৫-৬ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরে তারা খুশি। তবে সার, কীটনাশক ও বাগান পরিচর্যার খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি পড়েছে বলে জানান তারা।
অন্যদিকে পাইকারি ক্রেতারা জানান, পোরশার নোচনাহার বাজারের আমের মান ও স্বাদ উন্নত হওয়ায় এবং এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় তারা প্রতি বছরই আম কিনতে আসেন। বেশি দাম দিয়ে কিনলেও বাজারে আমের চাহিদা থাকায় লোকসানের আশঙ্কা কম।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে উপজেলার নোচনাহারসহ বিভিন্ন আমবাজারে শত শত কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে। আম পরিবহন ও বিপণনে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৪ আম

আপডেট সময় ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নোচনাহার আম বাজারে জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের আম কেনাবেচা। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার বিপুল সমাগমের মধ্যে মিষ্টি ও সুস্বাদু জাত হিসেবে পরিচিত ‘বারি-৪’ আম মানভেদে প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৫-৬ হাজার টাকা দরে। শেষ সময়ে জোগান কম এবং দেশজুড়ে ব্যাপক চাহিদা থাকায় এই দাম পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে নোচনাহার আম বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিন ভোর থেকেই স্থানীয় আমচাষি ও বাগান মালিকরা ট্রলি ও ভ্যানে করে বাজারে বারি-৪ আম নিয়ে আসছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান ও আড়ত থেকে এসব আম সংগ্রহ করছেন। স্থানীয় চাষিরা জানান, মৌসুমের শেষ দিকে বারি-৪ আমের চাহিদা ও বাজারমূল্য অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশ চড়া। প্রতি মণ আম ৫-৬ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরে তারা খুশি। তবে সার, কীটনাশক ও বাগান পরিচর্যার খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ কিছুটা বেশি পড়েছে বলে জানান তারা।
অন্যদিকে পাইকারি ক্রেতারা জানান, পোরশার নোচনাহার বাজারের আমের মান ও স্বাদ উন্নত হওয়ায় এবং এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকায় তারা প্রতি বছরই আম কিনতে আসেন। বেশি দাম দিয়ে কিনলেও বাজারে আমের চাহিদা থাকায় লোকসানের আশঙ্কা কম।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে উপজেলার নোচনাহারসহ বিভিন্ন আমবাজারে শত শত কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে। আম পরিবহন ও বিপণনে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।