ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্রদল নেতা জিসানকে তুলে নেওয়ার পর লাশ মিলল সড়কে

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৮) রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অপহরণের চার ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরের আঘাতে চিহ্ন ছিল। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড় ১১টার দিকে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। নিহত জিসান উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে কাকারা মাঝের স্টেশনের এক দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় হঠাৎ একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে এসে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার ‘কবির টাওয়ারে’ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে হত্যার পর মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ইসমাইল হোসেন কালবেলাকে বলেন, ‘জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ এদিকে জিসানকে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি অপরাধীদের ধরতে আলটিমেটাম দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘জিসান ছাত্রদলের একজন উদীয়মান ও সক্রিয় নেতা ছিলেন। তাকে অপহরণ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি খুনিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা না হয়, তবে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ ছাত্র সমাজকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদল নেতা জিসানকে তুলে নেওয়ার পর লাশ মিলল সড়কে

আপডেট সময় ২ ঘন্টা আগে
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৮) রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অপহরণের চার ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরের আঘাতে চিহ্ন ছিল। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড় ১১টার দিকে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে। নিহত জিসান উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে কাকারা মাঝের স্টেশনের এক দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় হঠাৎ একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে এসে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার ‘কবির টাওয়ারে’ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে হত্যার পর মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ইসমাইল হোসেন কালবেলাকে বলেন, ‘জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ এদিকে জিসানকে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি অপরাধীদের ধরতে আলটিমেটাম দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘জিসান ছাত্রদলের একজন উদীয়মান ও সক্রিয় নেতা ছিলেন। তাকে অপহরণ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি খুনিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা না হয়, তবে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ ছাত্র সমাজকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’