কখন ডায়ালিসিস করবেন : বয়স্কদের ক্ষেত্রে কিডনির কাজ করার ক্ষমতা শতকরা দশ ভাগের নিচে নেমে গেলে ডায়ালিসিস শুরু করা হয়। কিডনি আক্রান্ত রোগীর যখন নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে, বমি বমি ভাব হবে, পুষ্টির ঘাটতি দেখা যাবে, শরীরে অত্যধিক পানি জমে যেতে শুরু করবে। তখন তার ডায়ালিসিসের প্রয়োজন হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে যদি দেখা যায় তাদের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তখন ডায়ালিসিস শুরু করা যেতে পারে। লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই ডায়ালিসিস করতে হবে।
১. ডায়ালিসিসে আমাদের শরীর থেকে রক্ত বের করে পরিশ্রুত করে আমাদের শরীরে প্রবেশ করানো হয়। এই পদ্ধতিকে বলা হয় হিমোডায়ালসিস। ২. আমাদের পেটের মধ্যে নল ঢুকিয়ে তার মধ্য দিয়ে ডায়ালিসিসের সলিউশন দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের পরে সেটিকে আবার বের করে নেওয়া হয়। একে বলা হয় পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিস। এই দুই পদ্ধতিতেই ভালো ও খারাপ রয়েছে। যেমন হিমোডায়ালিসিসের জন্য ডায়ালিসিস কেন্দ্রের দরকার পড়ে এবং সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার সেখানে যেতে হবে। কিন্তু পেরিটোনিয়াল ডায়ালিসিসের ক্ষেত্রে বাড়িতে বসেই করা সম্ভব হয়।

স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : 





















