আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন শুনানিতে বলেন, চার দিনের রিমান্ডে আসামি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেও ‘অত্যন্ত কৌশলে’ অনেক কিছু গোপন করেছেন। এ জন্য তাকে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি। এ মামলার ঘটনার সঙ্গে অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত থাকতে পারে। এসব জানার জন্য এ আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া হোক।
অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে আইনজীবী মোতাসিম বিল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ জোর করে অপরাধী প্রমাণ করতে চাইছে। তাকে আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে প্রেসার কি এমনভাবে দিতে হবে যে, সব স্বীকার করে নেবে? আইনজীবী বলেন, সেদিন রাতে ভিকটিম তাকে ডেকে নিয়েছিল নাকি সে ভিকটিমকে ডেকেছিল সেটা দেখা দরকার। ওইদিন ভিকটিমই দীপকে ডেকেছিল।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, ঘটনার দিন ভিকটিম সাউরিকে নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিল দীপ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দীপ স্বীকার করেন যে, সাউরি তার সিনিয়র বড় ভাই ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দীপের জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং আসামি যাতে জামিনে বের হয়ে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে না পারেন, সেজন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : 





















