ঢাকা
,
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অন্য সুন্দরীদের পেছনে ফেলে যেভাবে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ মাহি
শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
বিচার বিভাগের বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী
নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে পরীমণিকে লিগ্যাল নোটিশ
ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলায় নিহত ৩৩
মেসির টানা দ্বিতীয়বার এমএলএসের গোল্ডেন বুট জয়
মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে সড়ক-রেলপথ অবরোধ, ট্রেন চলাচল বন্ধ
নেতানিয়াহু নয়, ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকোট
দেশে কি আদৌ কোনো সরকার আছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের
আজ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
ইতিহাস গড়া বিরতির বিশেষ অনুষ্ঠানে মাতাবেন তারকারা
-
স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : - আপডেট সময় ০১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
- ২৮ বার পড়া হয়েছে
বিশ্বকাপ শেষ হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। রোববার স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর কেড়ে নেবে। তবে এদিন শুধু ফুটবলই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে না। ম্যাচের দুই অর্ধের মাঝের বিরতিতে ফিফা আয়োজন করতে যাচ্ছে এমন এক বিশেষ অনুষ্ঠান, যা এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্বকাপে যুক্ত হচ্ছে নতুন আয়োজন
২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছে। কারণ এবার প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিরতির বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এই আয়োজন করা হচ্ছে গ্লোবাল সিটিজেনের সহযোগিতায়।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে দেখা যাবে এই বড় পরিবর্তন। এতদিন দুই অর্ধের মাঝের বিরতি শুধু খেলোয়াড়দের বিশ্রামের সময় হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এবার তা রূপ নেবে বিশ্বব্যাপী সংগীতের এক বড় আয়োজনে।
এই প্রথম আয়োজনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে ক্রিস মার্টিন, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, বিটিএস ও শাকিরার মতো জনপ্রিয় শিল্পীদের।
কতক্ষণ চলবে বিরতির অনুষ্ঠান?
এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিরতির বিশেষ অনুষ্ঠান ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলতে পারে। এমনকি কিছু গুঞ্জনে ৪০ মিনিটের অনুষ্ঠান হওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। তবে বাস্তবে সময় হবে এর চেয়ে কম।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পুরো বিরতির সময় থাকবে ১৭ মিনিট। এর মধ্যে সংগীত পরিবেশনার জন্য বরাদ্দ থাকবে ১১ মিনিট।
কেন এটিকে বিশ্বকাপের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিরতির অনুষ্ঠান বলা হচ্ছে?
মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের ম্যাচে মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় গানের দল মানা বিরতির সময় পরিবেশন করেছিল। এরপর অনেক দর্শকের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে, সেটিই কি প্রথম বিশ্বকাপের বিরতির অনুষ্ঠান ছিল?
যদিও সেটি একটি সংগীত পরিবেশনা ছিল, তবে এর মর্যাদা আলাদা। কারণ সেটি ছিল বিশ্বকাপ আয়োজক শহর হিসেবে মেক্সিকো সিটির বিদায় উপলক্ষে বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ।
অন্যদিকে এবারের ফাইনালের অনুষ্ঠানটি তৈরি করা হয়েছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফিফার প্রথম আনুষ্ঠানিক বিরতির বিশেষ অনুষ্ঠান হিসেবে।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ























