জেলা শহরের ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, দুপুরে ডিম ও পাউরুটির প্যাকেট শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করার পর দুপুর পৌনে ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ বোধ করে।
এ ছাড়া গাকের গোডাউনের ভেতের দিয়ে যাওয়া পয়নিষ্কাশনের একটি পাইপ মুখ খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে ওই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমান করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মারুফ আফজাল রাজন।
তবে প্রাথমিকভাবে ফুড পয়জনিং বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিশুদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তারা আশঙ্কামুক্ত। শিশুদের মূল সমস্যা ছিল পেটে ব্যথা।
ইউএনও বলেন, ভোক্তা অধিকার আইনের ৪৩ ও ৪৫ ধারায় গাককে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। গাকের এরিয়া ম্যানেজার ফিরোজ হোসেন জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেছেন।

স্বাধীনতা নিউজ ডেস্ক : 





















